ক্লিন ইমেজের প্রার্থীদের মনোনয়ন দেয়া হবে : কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ফাইল ফটো

লাইভ প্রেস২৪ ঢাকা: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, রাজনীতিতে যারা বিতর্কিত তাদের সিটি নির্বাচনে মনোনয়ন দেয়া হবে না। যাদের অপকর্মের কোনো রেকর্ড নেই তারা মনোনয়ন পাবেন। মনোনয়ন দেয়া হবে ক্লিন ইমেজের প্রার্থীকে।

সাঈদ খোকনকে প্রধানমন্ত্রী গ্রিন সিগন্যাল দিয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, এ সংবাদ কে দিয়েছে? মেয়রের পিএস এবং এপিএসরা অতি উৎসাহী হয়ে ফেসবুকে বিভিন্ন স্ট্যাটাস দিচ্ছেন, যেগুলোর কোনো ভিত্তি নেই।

শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় নবনির্বাচিত সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, শ্রমবিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ, উপ-দফতর সম্পাদক সায়েম খান, কেন্দ্রীয় নেতা শাহাবুদ্দিন ফরাজী প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে যারা মনোনয়ন পাবেন তাদের সম্পর্কে গোয়েন্দা রিপোর্ট, দলীয় রিপোর্টসহ বিভিন্ন রিপোর্ট পর্যালোচনা করা হবে। স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভায় প্রার্থী সম্পর্কে আলাপ-আলোচনার পর মনোনয়ন দেয়া হবে।

ইভিএম প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, সিলেট এবং খুলনায় ইভিএমে নির্বাচন হয়েছে। সে নির্বাচনে বিএনপির জিতেছে। ইভিএমের মাধ্যমে নির্বাচন হলে স্বচ্ছ নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়। সুতরাং এ প্রক্রিয়ায় নির্বাচনে বিএনপির ভয়ের কোনো কারণ নেই।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনারকে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা দেবে। মেয়র প্রার্থী নিয়ে জাতীয় পার্টির সঙ্গে সমঝোতা হবে কিনা এমন প্রশ্নে কাদের বলেন, আপাতত সমঝোতার কোনো পদক্ষেপ দেখছি না। তবে নির্বাচন হলো বিভিন্ন কৌশলের বিষয়। সে ক্ষেত্রে কৌশল অবলম্বন করতে হয়। প্রতিটি নির্বাচনই একটা কৌশলের বিষয়। দল যদি মনে করে তাহলে সমঝোতা হতেও পারে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীসহ মাত্র চারজন মন্ত্রী কমিটিতে আছি। দলকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। দল আরও শক্তিশালী হলে সরকারও শক্তিশালী হবে।

মন্ত্রিসভায় রদবদল প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, এটা রুটিন ওয়ার্ক। মন্ত্রিসভায় কখন পরিবর্তন হবে সেটি একমাত্র প্রধানমন্ত্রী ছাড়া কেউ বলতে পারবে না। উনি প্রয়োজন মনে করলে মন্ত্রিসভা পরিবর্তন করবেন।

লাইভ প্রেস২৪/এমআর