বিজয় দিবসে মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ করতে চায় বিএনপি

bnp-logoনিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিজয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে বিজয় শোভাযাত্রার আয়োজন করতে চায় বিএনপি। পাশাপাশি দলটি মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশও করতে চায় রাজধানীর একটি মিলনায়তনে। বুধবার দলের নয়া পল্টনের কার্যালয়ে যৌথসভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিজয় দিবসের কর্মসূচি পালনে কর্তৃপক্ষের কাছে অনুমতি চাওয়া হবে। আমরা আশা করছি, এ ব্যাপারে তারা সহযোগিতা করবেন।’

সংবাদ সম্মেলনে আসন্ন স্বৈরাচার পতন দিবস, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও বিজয় দিবস উপলক্ষে দলের কর্মসূচি ঘোষণা করেন মির্জা ফখরুল।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিজয় দিবস উপলক্ষে দলীয় কার্যালয়ে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন, সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও শেরেবাংলানগরে জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন, আলোচনা সভা, বিজয় শোভাযাত্রার কর্মসূচি নিয়েছে বিএনপি।

এ ছাড়া বিজয় দিবস উপলক্ষে নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে, গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয় ও সারাদেশের জেলা কার্যালয়গুলোয় আলোকসজ্জা করা হবে।

আগামী ২৮ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশের আয়োজন করবে বিএনপির অঙ্গসংগঠন মুক্তিযোদ্ধা দল। ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে। ৬ ডিসেম্বর স্বৈরাচার পতন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করবে বিএনপি। এই আলোচনা সভাগুলোর স্থান অনুমতি সাপেক্ষে পরে জানানো হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষ হয়েছিল। ওই সময় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে মোবাইলে রাজপথে অবস্থান করতে নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারের নীল নকশা বাস্তবায়নের জন্য খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দেওয়া হচ্ছে।’তিনি বলেন, ‘সরকার খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের সাধারণ কার্যক্রমও বাধাগ্রস্ত করছে। তারেক রহমানকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে রাখার জন্যই একের পর এক মামলা দেওয়া হচ্ছে।

ফুলবাড়িয়ার শিক্ষক এবং পথচারী হত্যার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে দোষীতের শাস্তির আহ্বান জানান তিনি।

মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের ওপর যে জুলুম, অত্যাচার করে হত্যা করা হচ্ছে এর প্রতিকারের জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে মিয়ানমার সরকারের ওপর চাপ দেওয়ার আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল।