রিজার্ভ চুরি : অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা হবে

bangladesh-bankনিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি দেশি বা বিদেশি যেই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনতে সরকার বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইনের (পটুয়াখালী-৩) টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নের লিখিত জবাবে একথা জানান অর্থমন্ত্রী। সকালে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনের কার্যসূচি শুরু হয়।

অর্থমন্ত্রী বলেন, গত ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক, নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে সংরক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে চুরি হওয়া অর্থের মধ্যে এখন পর্যন্ত শ্রীলংকা হতে ১৯.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে জমা হয়েছে।

এছাড়া ফিলিপাইনের একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কিম অং কর্তৃক ১৫.২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ফিলিপাইনের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট এন্ট্রি মানি লন্ডারিং কাউন্সিল বরাবর জমা করা হয়েছে। যা সে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে রক্ষিত আছে।

তিনি আরো বলেন, রিজার্ভ চুরির ঘটনায় বাংলাদেশ ব্যাংক ১৫ মার্চ ২০১৬ মতিঝিল থানায় এজাহার দায়ের করে যা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১৪ এর ধারা ৪, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ৫৪ এবং বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ধারা ৩৭৯ এর আলোকে মামলা হিসেবে গৃহীত হয়েছে।

বর্তমানে সিআইডি এ ঘটনায় দেশি বিদেশি ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখছে। পাশাপাশি সাইবার ক্রাইম, মানিলন্ডারিং ও চুরি/প্রতারণা সংক্রান্ত অপরাধের তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তিনি বলেন, এ অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি সে দেশি বা বিদেশি যেই হোক না কেন, তাকে সম্ভাব্য সকল আইনের আওতায় আনা হবে মর্মে সরকার বদ্ধপরিকর।