আওয়ামী লীগের সম্মেলনে যা থাকবে

awamiনিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শুরু হবে আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলন। সম্মেলনকে সফল করতে সকল প্রস্তুতিই ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

জানা গেছে, দু্ই দিনের এ সম্মেলন চার অধিবেশনে সাজানো হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় সম্মেলন কেন্দ্রে পৌছাবেন দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি অনুষ্ঠানস্থলে যোগ দেয়ার পরেই সকল ধর্মের ধর্মীয় গ্রন্থ পাঠের মাধ্যমে শুরু হবে সম্মেলনের মূল কার্যক্রম। দলের থিম সংয়ের সঙ্গে দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে সম্মেলন উদ্বোধন করবেন দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা।

গত সম্মেলনের পর থেকে এ পর্যন্ত মারা যাওয়া জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সকল আন্দোলন সংগ্রামে নিহত দলীয় নেতা ও দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব পাঠ করবেন আব্দুল মান্নান খান।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখবেন অভ্যর্থনা কমিটির আহ্বায়ক মোহাম্মদ নাসিম। এরপর বক্তব্য দেবেন সম্মেলনে আগত বিদেশি অতিথিরা। বিদেশি অতিথিদের বক্তব্য পর্বে বিভিন্ন দেশ থেকে আগত অতিথিরা বক্তব্য দেবেন। পরে দলীয় সভাপতির বক্তব্যের মাধ্যমে এই পর্বের সমাপ্তি হবে।

সভাপতির বক্তব্যের পর বিগত সম্মেলন থেকে এ পর্যন্ত দলের বিভিন্ন কার্যক্রমের উপর করা প্রতিবেদন উপস্থাপন করবেন দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। এ প্রতিবেদনকে সাধারণ সম্পাদককের রিপোর্ট বলা হয়ে থাকে।

সাধারণ সম্পাদককের রিপোর্ট উপস্থাপনের পর মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতিতে আমন্ত্রিত অতিথিসহ সম্মেলন স্থলে উপস্থিতদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হবে।

সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে বিভিন্ন জেলা থেকে আগত দলের নেতারা বক্তব্য দেবেন। জেলার নেতাদের বক্তব্যের শেষে সন্ধ্যায় বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও আওয়ামী লীগের আন্দোলন-সংগ্রাম নিয়ে সাজানো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হবে।

আওয়ামী লীগের সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন রোববার সকাল ১০টায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনে শুধুমাত্র কাউন্সিলরদের উপস্থিতিতে চলমান কমিটি বিলুপ্ত করা হবে।

সম্মেলনের নেতৃত্ব নির্বাচনের জন্য গঠিত নির্বাচন কমিশন ৬৭৫০ কাউন্সিলরের ভোটে দলের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করবেন। নির্বাচন কমিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন দলের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, ড. মসিউর রহমান ও রাশেদ উল আলম।

এরই মধ্যে কাউন্সিলরদেরকে মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতি দেয়া হবে। খাবারের পর বিকেলে আগামী তিন বছরের জন্য আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন করা হবে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককের নাম ঘোষণার পর নির্বাচিত সভাপতি সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে দেবেন। এর মাধ্যমেই সম্মেলনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে।

Share This: