সুনামগঞ্জে কওমি-আলিয়া মাদরাসার মধ্যে সংঘর্ষ

নিউজ ডেস্ক: সুনামগঞ্জের ছাতকে আলিয়া ও কওমি মাদরাসার শিক্ষক-ছাত্র ও সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে শতাধিক লোক আহত হয়েছেন। সোমবার দুপুর ১টার দিকে ছাতক হাইস্কুল মাঠে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিকাল সাড়ে ৪টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টিয়ারশেল, রাবার বুলেট নিক্ষেপ করেছে।

এতে গুলিবিদ্ধ হয় মজলু মিয়া (৪০), আব্দুল কাদির (৫০), আব্দুল জব্বার (৩০), সুরত আলী (২৫), শহীদ মিয়া (২০), আলেখ মিয়া (২৫), তানভীর আহমদ (১৮), রুমন মিয়া (১৭), আহমদ শরীফ (২৫) মেহেদী হাসান (১৮), লাহিন চৌধুরী (৪০), ইমরান আহমদ (২২), তারেক মিয়া (২৩), মাসুম আহমদ (২৫), মোস্তফা কামাল (২৪), মোক্তার হোসেন (৩০), ও নূর হোসেনসহ (২৬) আরো অন্তত ৭০ জন। তাদের সিলেট এমএজি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোবার উপজেলার জাউয়াবাজার এলাকায় আলিয়া মাদরাসার শিক্ষক-ছাত্র ও সমর্থক আয়োজিত ওয়াজ মাহফিলে বাধা দেয় কওমি মাদরাসার শিক্ষক-ছাত্র ও সমর্থকরা। এর জের ধরে সোমবার ছাতক হাইস্কুল মাঠে কওমি মাদরাসার আয়োজিত ওয়াজ মাহফিলে আলিয়া মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষক ও সমর্থরা হামলা চালালে সংঘর্ষ বাধে। এতে ছাতক শহরের ট্রাফিক পয়েন্ট থেকে জালালিয়া মাদরাসা পর্যন্ত সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে পরীক্ষার্থী, পথচারীসহ অন্তত শতাধিক লোক আহত হয়।

সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হারুণ অর রশীদ জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ছাতক থানা পুলিশ ৪০ রাউন্ড রাবার বুলেট ও ১০ রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে। সংঘর্ষ থামাতে সুনামগঞ্জ থেকে অতিরিক্ত তিন প্লাটুন পুলিশ ও র‌্যাব ছাতক পাঠানো হয়েছে।