ভবন ভাঙতে ৩ বছর সময় চেয়ে বিজিএমইএ’র আবেদন

নিউজ ডেস্ক: তিন বছরের পূর্বে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক সমিতির (বিজিএমইএ) অবৈধ ভবন ভাঙা সম্ভব নয়। এই ভবন থেকে বিজিএমইএর কার্যালয় অন্যত্র সরিয়ে নিতে এই সময় প্রয়োজন মর্মে আপিল বিভাগে আবেদন দাখিল করা হয়েছে। বিজিএমইএ আজ বুধবার সংশ্লিষ্ট শাখায় এই আবেদন দায়ের করেন। বৃহস্পতিবার আপিল বিভাগের এক নম্বর এজলাশে এই আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। গত ৫ মার্চ প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ ভবন ভাঙার রায় পুনর্বিবেচনা সংক্রান্ত বিজিএমইএ’র রিভিউ পিটিশন খারিজ করে দেন।

আদালত বিজিএমইএ’র কৌঁসুলিকে বলেন, আপনাদের সময় প্রয়োজন বলে আদালতকে অবহিত করেছেন। আবেদন দাখিল করুন। সেই মোতাবেক আজ এই সময় আবেদন দাখিল করা হয়েছে বলে ইত্তেফাককে জানান, ব্যারিস্টার ইমতিয়াজ মাইনুল ইসলাম। তিনি বলেন, বিজিএমইএ পোশাক রপ্তানি খাতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াগুলোর সঙ্গে জড়িত রয়েছে। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে এই ভবনটিতে সংস্থার নিজস্ব লোকবল রয়েছে। এই ভবনে আরব্রিট্রেশন প্রক্রিয়া চলে। যার ফলে আদালত পর্যন্ত মামলা যায় না।

তিনি বলেন, আমরা এখনো জমি পাইনি। এটা খোঁজার কাজ অব্যাহত রয়েছে। জমি পেলেই তো ভবন করা যাবে না। এজন্য রাজউক ও বিভিন্ন সরকারি সংস্থার অনুমোদন নিতে হবে। ফলে একদিনেই তো ভবন করা সম্ভব হবে না। এইজন্য আমরা সময় চেয়েছি।

হাইকোর্ট ২০১১ সালের ৩ এপ্রিল ভূমির মালিকানা স্বত্ব না থাকা এবং ইমারত নির্মাণ বিধিমালা ও জলাধার আইন ভঙ্গ করায় বিজিএমইএ ভবন নির্মাণ অবৈধ ঘোষণা করে। রায়ে ৯০ দিনের মধ্যে ভবনটি ভেঙ্গে মাটির সঙ্গে গুঁড়িয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিল। এর বিরুদ্ধে বিজিএমইএ লিভ টু আপিল করে। গত বছরের ২ জুন আপিল বিভাগ খারিজ করে দেয়। ওই খারিজের রায়ে বলা হয়, ভবন ভাঙার যাবতীয় খরচ বিজিএমইএকেই বহন করতে হবে। বিজিএমইএ না ভাঙলে রায়ের কপি পাওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে রাজউককে ভবনটি ভেঙ্গে ফেলার নির্দেশ দেয়া গেলো। এ জন্য যে অর্থ প্রয়োজন তা বিজিএমইএর কাছ থেকে নিতে বলা হলো।