পুলিশের এএসপি পরিচয়ে স্কুলছাত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক, পরে অন্তঃসত্ত্বা

প্রতীকী ছবি

লাইভ প্রেস২৪, বরিশাল :  পুলিশের এএসপি পরিচয়ে এক স্কুলছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভনে আবাসিক হোটেলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। সিলেটের একটি স্কুলের দশম শ্রেণির ওই ছাত্রী বর্তমানে অন্তঃসত্ত্বা। পরে এ ঘটনায় পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ করে সে।

ভুক্তভোগী কিশোরী জানায়, ২০১৮ সালের শুরুর দিকে ফেসবুকের মাধ্যমে সামসুল হক রাসেল নামের ওই ব্যক্তি পুলিশের এএসপি পরিচয় দিয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এর সূত্র ধরে প্রায়ই ফেসবুকে এবং মুঠোফোনে তাদের কথাবার্তা হতো। এর এক পর্যায়ে ২০১৮ সালের ২২ সেপ্টেম্বর ওই কিশোরীকে সিলেট থেকে বিয়ের প্রলোভনে বরিশালে নিয়ে আসেন রাসেল।

এরপর নগরীর নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকার একটি আবাসিক হোটেল নিয়ে ওই কিশোরীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন রাসেল। এভাবে একাধিকবার বরিশালে যাতায়াতের পর ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। সে বিষয়টি রাসেলকে জানালে তিনি বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান।

পরে ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী রাসেলকে খুঁজে বের করতে গত ২৭ জানুয়ারি বরিশালের পুলিশ কমিশনারের কাছে যান এবং রাসেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। পুলিশ কমিশনারের নির্দেশে এ ঘটনায় গত ২৮ জানুয়ারি নগরীর বিমানবন্দর থানায় মামলা রুজু হয়। পুলিশ ওই স্কুলছাত্রীকে আদালতে সোপর্দ করলে আদালত তাকে ‘সেফ হোমে’ পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বরিশাল মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘ওই কিশোরীর অভিযোগের তদন্ত চলছে। অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়েছে। সে পুলিশ নয়। শিগগিরই তাকে গ্রেপ্তার করে আইনের হাতে সোপর্দ করা হবে।’

পুলিশের এ কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘ওই কিশোরী সিলেটের একটি স্কুলের ১০ শ্রেণির ছাত্রী। সে নিজের ভুল বুঝতে পেরে পরিবারের কাছে ফিরতে চায়।’

লাইভ প্রেস২৪/জেডআই

Share This: