ফাঁদে পড়ে সর্বস্ব হারালেন বিকাশ এজেন্ট

 

ধামরাই প্রতিনিধি

ঢাকার ধামরাইয়ে এক বিকাশ এজেন্টকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকাসহ তিনটি মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে গেছে প্রতারক চক্রের সদস্যরা।

বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার জয়পুরা বাজারের উত্তর পাশে আজম ষ্টোর বিকাশ এজেন্ট দোকানে এই ঘটনা ঘটে। প্রতারণার শিকার আজম আলী কুল্লা ইউনিয়নের কেলিয়া গ্রামের হানিফ আলীর ছেলে।

জয়পুরা বাজারের সিসি টিভি ক্যামেরায় প্রতারণক চক্রের সদস্যদের টাকা নিয়ে পালিয়ে যেতে দেখা গেছে বলে জানিয়েছে বাজার কমিটির সদস্যরা।

এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে ধামরাই থানার পুলিশ। তবে এখন পর্যন্ত প্রতারণক চক্রের কাউকে শনাক্ত করা যায়নি।

স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, সকালে আজম আলী বাড়ি থেকে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে জয়পুরা বাজারে দোকানে আসেন। আজম তালা খুলে দোকানে প্রবেশ করে টেবিলের ড্রয়ারে মধ্যে টাকার ব্যাগটি রেখে বাকি সাটার খোলার জন্য গেলে চক্রটি তার সাথে দোকানের ভেতরে ঢোকে।

এ সময় দোকান মালিক আজম আলী বাকি সাটার খুলতে গেলে তখন সাটার না খোলায় প্রতারক চক্রের সদস্যরা আজম আলীকে বলে- আপনার সাটার কে যেনো গুনা দিয়ে আটকে রেখেছে। তখন গুনার বাঁধন খুলতে বাহিরে গেলে প্রতারক চক্রের সদস্যরা গোপনে টাকার ব্যাগ ও ৩টি মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায়। আজম দোকানে প্রবেশ করে টাকার ব্যাগ না পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে।

পরে বাজার কমিটির লোকজন এসে সিসিটিভির ফুটেজ দেখে। এতে প্রতারক চক্রের ৫ সদস্যকে টাকার ব্যাগ ও মোবাইল নিয়ে মোটরসাইকেলে পালিয়ে যেতে দেখা গেছে। তবে প্রতারক চক্রের কাউকে তারা চিনতে পারেনি।

এ বিষয়ে জয়পুরা বাজার কমিটির সদস্য জাহিদ হোসেন বলেন, বিকাশ অফিসে দেবে বলে বাড়ি থেকে আজম ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে আসে। দোকান থেকে টাকার ব্যাগ নিয়ে প্রতারক চক্র চলে গেছে। পুলিশ এসেছিলো, তাদেরকে আমরা সিসিটিভির ফুটেজ দেখিয়েছি।

এ ব্যাপারে বিকাশ দোকানের মালিক আজম বলেন, সকালের দিকে দোকানের সাটার খোলার সাথে সাথেই প্রতারকের ফাঁদে পড়ে টাকা চলে গেল। আমার কাছে ভিডিও ফুটেজ আছে। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

এ ব্যাপারে ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক আরাফাত হোসেন বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। সিসিটিভি ফুটেজ দেখেছি। প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থার জন্য অভিযান চলছে।

 

Share This: