জুলাইয়ে হতে পারে আইপিএল


লাইভ প্রেস২৪ ডেস্ক: এখন পর্যন্ত আইপিএল শুরুর দিনক্ষণ হিসেবে নির্ধারিত ১৫ এপ্রিল। তবে বাকি বিশ্বের মতো ভারতেও দিন দিন করোনাভাইরাস সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় এ সময়ে খেলা শুরু নিয়ে যথেষ্ট সংশয় আছে। এখন ভাবা হচ্ছে জুলাই বা সেপ্টেম্বরের কথা।

বিসিসিআই ও ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো চাচ্ছে প্রচলিত নিয়মে ৬০ ম্যাচের টুর্নামেন্ট হিসেবেই আইপিএল আয়োজিত হোক। যদি এখন না করা যায় তাহলে পরে, যদি ভারতে না করা যায় তাহলে বিদেশে, যদি বিদেশি ক্রিকেটার না পাওয়া যায় তাহলে অল্প দিয়েই। দেরিতে, বিদেশে এবং কম বিদেশি দিয়ে হলেও আইপিএল যেন পুরোটাই হয়, এমনটাই এখন ভাবনা।

শনিবার বিসিসিআইর সঙ্গে আলাপে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো ‘প্ল্যান বি’তে একমত হয়েছিল। জুন থেকে ভারতসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক দলের ব্যস্ততা থাকায় ম্যাচ সংখ্যা কমিয়ে মে-র মধ্যেই আইপিএল শেষের কথা ভেবেছিল সবাই। কিন্তু ম্যাচ কমে গেলে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হবে বেশি- এমন চিন্তায় পুরো ৬০ ম্যাচের টুর্নামেন্টই চান সবাই। এ ক্ষেত্রে জুলাই ও সেপ্টেম্বরের কথা ভাবা হচ্ছে। আইসিসির ফিউচার ট্যুর প্রোগ্রামে এ সময়ে ব্যস্ততা খুব বেশি নেই।

সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপ হওয়ার কথা আছে। এ ছাড়া দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলবে পাকিস্তান-ইংল্যান্ড। পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা এমনিতেই আইপিএলে খেলেন না। ইংল্যান্ডও জুন-জুলাইয়ের দিকে নতুন ফরমেটের দ্য হানড্রেড টুর্নামেন্ট আয়োজনের কথা ভেবে রেখেছে। বাকি সব দেশ এ সময়ে খুব একটা ব্যস্ত থাকবে না। বিশেষ করে জুলাইয়ে ভারতের শ্রীলঙ্কা সফর শিডিউলে একটু বদল করলে সময় বের করা যায়। আর ২০০৯ আইপিএল দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে মাত্র ৩৭ দিনে সম্পন্ন করার দৃষ্টান্তও আছে সামনে। সব মিলিয়ে জুলাই বা সেপ্টেম্বরের কথা ভাবছে আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। এদিকে যখনই খেলা হোক, অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটারদের না পাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে আইপিএলে। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী কেভিন রবার্টস জানিয়েছেন, খেলোয়াড়দের আইপিএলে যাওয়ার বিষয়ে পরামর্শ দেবেন তারা। বলা বাহুল্য, পরামর্শ নেতিবাচক হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। বিশেষ করে ওয়ার্নার, স্মিথ, কামিন্সের মতো শীর্ষস্থানীয় ক্রিকেটারদের বেলায়।

 

লাইভ প্রেস২৪/এএম

Share This: