দেশকে সোনার বাংলায় পরিণত করাই হোক মুজিববর্ষে সকলের অঙ্গীকার | Live Press24

দেশকে সোনার বাংলায় পরিণত করাই হোক মুজিববর্ষে সকলের অঙ্গীকার

Published on: 12:03 pmMarch 26, 2020

লাইভ প্রেস২৪,ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনা ব‌লে‌ছেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ সম্পাদনের মাধ্যমে দেশকে সোনার বাংলায় পরিণত করাই হোক মুজিববর্ষে সকলের অঙ্গীকার।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপল‌ক্ষে বুধবার (২৫ মার্চ) দেয়া এক বাণী‌তে তি‌নি এ কথা ব‌লেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেছেন, ২৬ মার্চ আমাদের জাতির আত্মপরিচয় অর্জনের দিন। পরাধীনতার শিকল ভাঙার দিন। লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন।

তিনি বলেন, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে দিতে হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। আমরা আজ জাতির পিতার অসমাপ্ত কাজগুলো বাস্তবায়ন করছি। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর গণহত্যা চালায়। প্রধানমন্ত্রী গণহত্যার শিকার সকল শহীদকে স্মরণ করেন। পাশাপাশি স্মরণ করেন ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের ঘৃণ্য হত্যাকাণ্ডের শিকার মা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব, তিন ভাই– মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন শেখ কামাল, মুক্তিযোদ্ধা লেফটেন্যান্ট শেখ জামাল ও দশ বছরের শেখ রাসেল, কামাল ও জামালের নবপরিণীতা স্ত্রী সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল, চাচা মুক্তিযোদ্ধা শেখ আবু নাসেরসহ ১৫ আগস্টের সকল শহীদকে।

শেখ হাসিনা বলেন, এবারের স্বাধীনতা দিবস এক ভিন্ন প্রেক্ষাপটে উদযাপিত হচ্ছে। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে গোটা বিশ্ব এখন বিপর্যস্ত। ধনী বা দরিদ্র, উন্নত বা উন্নয়নশীল, ছোট বা বড়-সব দেশই আজ কমবেশি নভেল করোনা নামক এক ভয়ঙ্কর ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত। আমাদের প্রাণপ্রিয় বাংলাদেশও এ সংক্রমণ থেকে মুক্ত নয়।

তিনি বলেন, এ পরিপ্রেক্ষিতে জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে আমরা এবারের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ভিন্নভাবে উদযাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। জনসমাগম হয় এমন ধরনের সব অনুষ্ঠানের আয়োজন থেকে সবাইকে বিরত থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি।

‘জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনসহ সকল জেলায় শিশু সমাবেশ ইতোমধ্যে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই কারণে আমরা মুজিববর্ষের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জনসমাগম না করে টেলিভিশনের মাধ্যমে সম্প্রচার করেছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের স্বাধীনতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ সংগ্রাম এবং বহু ত্যাগ-তিতিক্ষার ফসল।

‘১৯৪৮-৫২’র ভাষা আন্দোলন, ৫৪’র নির্বাচন, ৬২’র শিক্ষা আন্দোলন, ৬৬’র ছয়দফা-১১দফা, ৬৯’র গণঅভ্যুত্থান এবং ৭০’র নির্বাচনের পথ পেরিয়ে আমরা উপনীত হই ৭১’র ৭ মার্চের ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে তিনি ঘোষণা দেন, এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনাতর সংগ্রাম। জয় বাংলা।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে সমগ্র জাতি মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু করে। বাঙালির মুক্তিসংগ্রাম স্তব্ধ করে দিতে ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী নিরীহ ও নিরস্ত্র বাঙালির ওপর অতর্কিত হত্যা শুরু করে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। পাকিস্তানি সামরিক শাসক তাকে বন্দি করে পাকিস্তানে নিয়ে যায়।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে বাঙালি জাতি ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় ছিনিয়ে আনে।

স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশবাসীসহ প্রবাসী বাংলাদেশিদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

লাইভ প্রেস২৪/এমআর

আরও পড়ুন

রাজধানীর মধ্যবাড্ডায় আগুন
রাজধানীর ৩৮ এলাকা আংশিক লকডাউন ঘোষণা
দেশে পুরোপুরি লকডাউন ৫০ জেলা, ১৩ জেলা আংশিক
র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম করোনায় আক্রান্ত
রাজধানীতে প্রায় ২১ হাজার আক্রান্ত, জোন ব্যবস্থায় নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা হবে কাল থেকে
তুরাগে উদ্বোধন হলো ৩শ শয্যার করোনা হাসপাতাল
রোববার থেকে রেড জোন, পৌঁছে দেয়া হবে নিত্যপণ্য
শেরেবাংলানগরে ডাকাতির ঘটনায় দুই ডাকাত গ্রেফতার
‘শ্রমিক ছাঁটাইয়ের ঘোষণা শ্রমিক নির্যাতনের হাতিয়ার’
২৪ ঘণ্টায় ৩৫ জনের মৃত্যু