করোনা প্রতিরোধে এনজিও-সুশীল সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে : তাজুল ইসলাম

লাইভ প্রেস২৪,ঢাকা: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, রাজধানীর বিভিন্ন বস্তিতে অনেক এনজিও নানান সেবামূলক কাজে সম্পৃক্ত রয়েছে। আমি মনে করি করোনা ভাইরাস জনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারের পাশাপাশি এনজিও এবং সুশীল সমাজের সম্পৃক্ততা জরুরি।

সোমবার (৬ এপ্রিল) ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কপোরেশনে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে এনজিওগুলোকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে রাজধানীর ওয়াসা ভবনে এক সমন্বয় সভায় এ কথা বলেন তিনি।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলামের উদ্যোগে আয়োজিত সমন্বয় সভায় উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এনজিও বিষয়ক ব্যুরো মহাপরিচালক কে এম আব্দুস সালাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী তাকসিম এ খান, ব্র্যাক, ওয়াটার এইড, ডিএসকে, সাজেদা ফাউন্ডেশন, শক্তি ফাউন্ডেশন এবং ওয়াশ প্রোগ্রামের সঙ্গে যুক্ত এনজিও ও ইউএনডিপি বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা।

মন্ত্রী বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন শহরে অনেক প্রতিষ্ঠান করোনা সংকট মোকাবিলায় কাজ করে যাচ্ছে কিন্তু প্রতিষ্ঠানিক কোনো ব্যবস্থাপনা নেই। এখানে বসবাসরত নিম্ন আয়ের মানুষের কঠিন সমস্যা মোকাবিলার জন্য একটি সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, এ জাতীয় সংকট মোকাবিলায় জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে আপদকালীন একটি রূপরেখা এবং সেটআপ আছে। এখন ঢাকার মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য একটি অ্যাকশন প্ল্যান করা জরুরি।

এ সময় সিদ্ধান্ত নেয়া হয় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ড কাউন্সিলরেদের তত্ত্বাবধানে দশটি করে সাব-কমিটি গঠন করা হবে। প্রতিটি কমিটিতে অন্তত একজন এনজিও প্রতিনিধি থাকবে। কমিটিগুলোর কার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পন্ন হচ্ছে কিনা তা প্রয়োজনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে স্থানীয়সরকার মন্ত্রীকে অবহিত করা হবে।

সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয় দরিদ্র ও ছিন্নমূল জনগোষ্ঠীকে চাল, ডালসহ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী যেমন প্রদান করা হবে তেমনি প্রয়োজনে নগদ অর্থও সহায়তা করা যাবে।

লাইভ প্রেস২৪/এমআর