সরকারি স্থাপনাগুলোতে আইসোলেশন শয্যা করা হচ্ছে : আইইডিসিআর

লাইভ প্রেস২৪,ঢাকা: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও সম্ভাব্য রোগীদের চিকিৎসা দিতে ঢাকা মহানগরে আইসোলেশন শয্যা রয়েছে মোট ১ হাজার ৫৫০টি। ঢাকা মহানগরের বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে ৬ হাজার ১৪৩টি আইসোলেশন শয্যা রয়েছে।

সবমিলিয়ে, দেশে আইসোলেশন শয্যা রয়েছে মোট ৭ হাজার ৬৯৩টি। শয্যার সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ানো হচ্ছে। পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের মাধ্যমেও এগুলো করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে সরকারি স্থাপনাগুলোকেও নতুন করে আইসোলেশন শয্যা হিসেবে ব্যবহার করার প্রক্রিয়া চলছে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটায় রাজধানীর মহাখালীর স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে করোনাভাইরাসের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে সরাসরি অনলাইন ব্রিফিংয়ে এ সব তথ্য জানিয়েছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)। স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. সানিয়া তাহমিনা এ সব তথ্য তুলে ধরেন। এছাড়া ব্রিফিংয়ে ছিলেন আইইডিসিআরের মহাপরিচালক অধ্যাপক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।

সরকারের প্রস্তুতি তুলে ধরে সানিয়া তাহমিনা বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা পিসিআর পরীক্ষা করছি। ঢাকা ও ঢাকার বাইরে ১৬টি জায়গায় পরীক্ষা করছি। আর এ পর্যন্ত ৬ লাখ ৯১ হাজার ২৯২টি ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই) সংগ্রহ করেছি। যার মধ্যে ৪ লাখ ৭০ হাজার ৭৭৪টি বিতরণ করা হয়েছে। এই মুহূর্তে আমাদের মজুদ আছে ২ লাখ ২০ হাজার ৫১৮টি পিপিই। প্রথমে একটু সমস্যা ছিল, এখন আমরা বেশি করে দিচ্ছি সব জায়গায়।’

পরীক্ষা কিটের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘২১ হাজার করোনা পরীক্ষার কিট ইতোমধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। ৯২ হাজার আমাদের সংগ্রহে আছে। ২১ হাজার কিট যখনই শেষ হয়ে যাবে, আমাদের মজুত ৭১ হাজার থেকে দেব।’

তিনি আরও বলেন, ‘সব হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) শয্যা আছে মোট ১১২টি। প্রত্যেকটি আইসিইউর সঙ্গে ভেন্টিলেটর থাকে। কোনো কোনো হাসপাতালে এর সঙ্গে ডায়ালাইসিস শয্যাও আছে। এরকম আছে ৪০টি। আমরা মনে করি, এটা আরও বাড়ানো দরকার। প্রতি মুহূর্তে এটা নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’

এদিকে, করোনাভাইরাসে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫৪ জন আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১৮ জনে। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ জনে।

লাইভ প্রেস২৪/এমআর