ভারতে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ৫৬১১ জন শনাক্ত, মৃত ১৪০ | Live Press24

ভারতে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ৫৬১১ জন শনাক্ত, মৃত ১৪০

লাইভ প্রেস২৪,ডেস্ক: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যার দিক দিয়ে নজির গড়ল ভারত। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৬১১ জন, সব মিলিয়ে দেশটিতে সংক্রমিত ১ লাখ ৬ হাজার ৭৫০ জন। এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশটিতে মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৩০৩ জনের। একদিনেই আরও ১৪০ জনের প্রাণ কেড়েছে এই মারণ ভাইরাস।

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যের বরাত দিয়ে এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত ৪২ হাজার ২৯৮ জন করোনা রোগী সুস্থ হয়েছেন। অর্থাৎ করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হওয়ার হার বুধবার সকালে বেড়ে ৩৯.৬২ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে।

করোনা সংক্রমণের বিচারে বরাবরই ভারতের সব রাজ্যের মধ্যে এগিয়ে রয়েছে মহারাষ্ট্র। তারপরেই রয়েছে তামিলনাড়ু। দক্ষিণের ওই রাজ্যে মঙ্গলবারই নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬৮৮ জন মানুষ, এর ফলে ওই রাজ্যে সংক্রামক ব্যাধির কবলে মোট ১২ হাজার ৪৪৮ জন মানুষ। মঙ্গলবার পর্যন্ত মহারাষ্ট্রের পরেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যার বিচারে দ্বিতীয় স্থানে ছিল গুজরাট। কিন্তু একদিনের মধ্যে তাকে টপকে গেল তামিলনাড়ু। গুজরাটে এখন মোট করোনা আক্রান্ত ১২ হাজার ১৪০ জন।

এদিকে ভারতের সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য উত্তরপ্রদেশে প্রচুর অভিবাসী শ্রমিক বিভিন্ন রাজ্য থেকে এসে পৌঁছেছে। কিন্তু এই অভিবাসীদের সঙ্গে সঙ্গেই সে রাজ্যে সংক্রমণ বাড়ছে। ওই রাজ্যের রাজধানী লখনউ থেকে ১৯০ কিলোমিটার দূরে যে বাসটি অভিবাসী শ্রমিকদের নিয়ে ফিরেছে, তাতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কমপক্ষে ৫০ জনের সন্ধান মিলেছে। উত্তরপ্রদেশে এখনও পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্ত ৪ হাজার ৯২৬ জন। তবে এবার আরও সংক্রমণ বাড়তে পারে যোগীর রাজ্যে, করা হচ্ছে সেই আশঙ্কাই।

শুধু ভারতই নয়, প্রায় গোটা বিশ্বেই ছড়িয়ে পড়েছে মারণ ভাইরাস কোভিড- ১৯। সারা দুনিয়ায় সব মিলিয়ে ৪৮ লাখ ৯৭ হাজার ৮৪২ জন মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। ইতোমধ্যেই ওই ভয়ঙ্কর রোগে মারা গেছে অন্তত ৩ লাখ ২৩ হাজার ২৮৭ জন করোনা রোগী। জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের রিয়েল-টাইম মতে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সেখানে এখনও পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৯১ হাজার ৮৪৫ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান প্রদেশে প্রথম ধরা পড়ে করোনাভাইরাস। তারপর সেখান থেকে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বের নানা দেশে। এখনও পর্যন্ত এই ভাইরাস থেকে রেহাই পাওয়ার মতো কোনো প্রতিষেধকের সন্ধান মেলেনি। তবে সর্বস্তরে এ নিয়ে গবেষণা চলছে।
লাইভ প্রেস২৪/এএম