বাউফলে এমপি ও মেয়র গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত-১ | Live Press24

বাউফলে এমপি ও মেয়র গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত-১

Published on: 12:03 amMay 25, 2020


সুনান বিন মাহবুব, পটুয়াখালী : পটুয়াখালীর বাউফলে তোরণ নির্মাণকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের আ স ম ফিরোজ এমপি ও বাউফল পৌর মেয়য় জিয়াউল হক গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে ছাত্রলীগ কর্মী তাপস (২৫) বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। নিহত তাপস মেয়র গ্রুপের কর্মী বলে দাবি করা হয়েছে। বাকি আহতরা বিভিন্ন ক্লিনিক ও ফার্মেসীতে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে।

আজ রোববার বেলা একটা থেকে তিনটা পর্যন্ত বাউফল থানার পূর্ব পাশে সরকারি ডাকবাংলোর সামনে ওই ঘটনা ঘটে। নিহত তাপস (৩৪) যুবলীগের কর্মী ছিলেন। তিনি উপজেলার কালাইয়া এলাকার বদু দাসের ছেলে।

জানা যায়, ডাকবাংলোর সামনের সড়কে করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে করণীয় বিষয়ে লেখা সংবলিত একটি তোরণ নির্মাণ করছিলেন মেয়র পক্ষের লোকজন। বেলা একটার দিকে ওই তোরণ নির্মাণে বাধা দেন সাংসদ পক্ষের নাজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহিম ফারুক। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান মেয়র জিয়াউল। তখন দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এসময় উভয় পক্ষের নেতাকর্মীরা মারমুখি হয়ে পরে। ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার এক পর্যায়ে সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়। দুপুর ১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত ৩ ঘণ্টা ধরে দফায় দফায় এ সংঘর্ষ হয়।

এই সংঘর্ষ চলাকালে ইউএনও এবং বাউফল সার্কেলের সিনিয়র পুলিশ সুপার মোঃ ফারুক হোসেনের মধ্যস্থতায় মেয়র জিয়াউল হক জুয়েল ও ইব্রাহিম ফারুককে নিয়ে ওসির রুমে সমঝোতা চলাকালে উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও কালাইয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মনির মোল্লার নেতৃত্বে কালাইয়া থেকে ২০-৩০ জন লোক মটর সাইকেলযোগে ডাকবাংলোর সামনে এসে জয়বাংলা শ্লোগান দিয়ে তোরণের বাঁশের খুটি ভেঙ্গে ফেলে।

এসময় মেয়র গ্রুপ উত্তেজিত হয়ে তাদেরকে ধাওয়া করলে তারা ডাকবাংলোর মধ্যে আশ্রয় নেয়। তাঁদের মধ্যে যুবলীগ কর্মী তাপস (৩৪) ও ছাত্রলীগ কর্মী ইমামকে (২৩) প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। রাত আটটার দিকে তাপসের মৃত্যু হয়।

মেয়র জিয়াউল হক বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ এড়াতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ সংবলিত ব্যানার দিয়ে তোরণ নির্মাণ করছিলেন। ওই তোরণ নির্মাণে বাধা দেয় ও নির্মাণসামগ্রী ভেঙে ফেলে। এ ঘটনার জন্য তিনি এবং তাঁর নেতা-কর্মীরা দায়ী নন বলে দাবি করেন তিনি।

অপরদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও নাজিরপুরের ইউপি চেয়ারম্যান ইব্রাহিম ফারুক সাংবাদিকদের বলেন,‘আমার বক্তব্য দেয়ার কিছুই নেই।’

বাউফল থানার ওসি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এব্যপারে এখনো কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

লাইভ প্রেস২৪/সুনান বিন মাহাবুব /এমএ

আরও পড়ুন

চাঁদাবাজির অভিযোগে আনন্দ টিভি থেকে তিনজন বহিষ্কার
পদ নেই তবুও পদোন্নতি দিচ্ছে সরকার : রিজভী
জীবন-জীবিকায় বাজেটে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার চায় বিএনপি
অশুভ উদ্দেশে অন্ধকারে ঢিল ছুড়বেন না, বিএনপিকে কাদের
করোনায় প্রাণ গেল মহানগর বিএনপি নেতা আহসান উল্লাহর
`ক্ষমতাসীনরা স্বাস্থ্য খাতকে লুটপাটের আঁখড়ায় পরিণত করেছে’
বিএনপি ছায়া বাজেট উত্থাপন করবে মঙ্গলবার
বিভেদের ভাইরাসে জাতিকে বিভ্রান্ত না করার আহ্বান কাদেরের
সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন ইউনাইটেডে ভর্তি
সিলেটের সাবেক মেয়র কামরান করোনায় আক্রান্ত