সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ | Live Press24

সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

Published on: 12:03 pmJuly 14, 2020

লাইভ প্রেস২৪ ডেস্ক: জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ (মঙ্গলবার)। গত বছরের এই দিনে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। করোনা পরিস্থিতির কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মৃত্যুবার্ষিকী পালনে জাতীয় পার্টি, এরশাদ ট্রাস্ট, ব্যক্তিগতভাবে রওশন এরশাদ দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করবে।

সকালে দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে রংপুরে এরশাদের সমাধি জিয়ারত করে দুপুরে ফিরে কাকরাইল ও বনানীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পৃথক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন জিএম কাদের। বেলা ১১টায় গুলশানে রওশন এরশাদের বাসভবনে মিলাদ মাহফিল ও সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে এরশাদ ট্রাস্টের পক্ষ থেকে বেলা ১২টায় কাকরাইলে পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এরশাদের প্রতীকী বেদিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, বিকেলে প্রেসিডেন্ট পার্কে স্মরণসভা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া সকাল ১০টায় কাকরাইলে পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত এরশাদের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করবেন সৈয়দ আবু হোসেন বাবলার নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় ও মহানগর জাপার নেতারা। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কাকরাইলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বাবলার পক্ষ থেকে কোরআন খতম ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জাপার পক্ষ থেকে বাদ আসর মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া শ্যামপুর-কদমতলীর বিভিন্ন মসজিদে দোয়া ও মন্দিরে প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

১৯৩০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অবিভক্ত ভারতের কোচবিহার জেলায় জন্মগ্রহণ করেন এরশাদ। পরে তার পরিবার রংপুরে চলে আসেন। রংপুরেই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করে ১৯৫০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক শেষ করে ১৯৫২ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এরশাদ। ১৯৬৯ সালে লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে পদোন্নতি পেয়ে ১৯৭১-৭২ সালে সপ্তম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন।

মুক্তিযুদ্ধের পর পাকিস্তান থেকে প্রত্যাবর্তন করেন তিনি। ১৯৭৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি ব্রিগেডিয়ার পদে পদোন্নতি লাভ করেন। ওই বছরই আগস্ট মাসে মেজর জেনারেল পদে পদোন্নতি দিয়ে তাকে সেনাবাহিনীর উপপ্রধান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। ১৯৭৮ সালের ডিসেম্বর মাসে এরশাদকে সেনাবাহিনীর প্রধান পদে নিয়োগ দেয়া হয়। ১৯৭৯ সালে তিনি লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে পদোন্নতি লাভ করেন।

১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ রাষ্ট্রক্ষমতায় আসেন এরশাদ। ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পদত্যাগ করেন তিনি। ১৯৯১ সালে এরশাদ গ্রেফতার হন। ১৯৯১ সালে জেলে অন্তরীণ থাকা অবস্থায় এরশাদ রংপুরের পাঁচটি আসনে বিজয়ী হন। ১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচনেও এরশাদ সংসদে পাঁচটি আসনে বিজয়ী হন। ১৯৯৭ সালের ৯ জানুয়ারি জামিনে মুক্ত হন তিনি।

২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এরশাদের জাতীয় পার্টি ১৪টি আসনে জয়ী হয়। ২০০৬ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪-দলীয় জোটের সঙ্গে মহাজোট গঠন করে তার দল। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে তার দল ২৭টি আসনে বিজয়ী হয়। এরপর দশম ও সবশেষ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি চলতি জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ছিলেন।

লাইভ প্রেস২৪/এমএসএম

আরও পড়ুন

গোপালগঞ্জে ভাতিজির বিয়েতে গুলি ছুড়ে উল্লাস করলো চাচা!(ভিডিওসহ)
‘খালেদার জন্মদিন নিয়ে বিএনপির জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত’
সিনহা হত্যাকান্ডে শিপ্রার আচরণ ‘খুব’ সন্দেহজনক : ড. আসিফ নজরুল
সরকার সংবিধানের পবিত্রতাকে লঙ্ঘন করছে : ফখরুল
মেজর সিনহা যেভাবে ‘৯টি তল্লাশিচৌকি’ পার হয়ে অবশেষে পুলিশের গুলিতে ঝাঁজরা হন
‘বিক্রম’ বাংলাদেশে ভারতের নতুন হাইকমিশনার
সিনহা খুনের রহস্য লিয়াকত-নাজিম ফোনালাপে!
আগমীকাল সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি
‘ব্যক্তি-গোষ্ঠীর স্বার্থে যেন শোক দিবসের পরিবেশ বিনষ্ট না হয়’
কম দামে মজুদ পাট বিক্রির চুক্তি করে বেকায়দায় বিজেএমসি