অগাস্ট ১০, ২০২২

নিউজ ডেস্ক: ফেনীর সোনাগাজীতে শিশুসহ ৮ রোহিঙ্গাকে কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে তাদের কক্সবাজারের কতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সোনাগাজী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ খালেদ হোসেন দাইয়্যান।

আটককৃতরা হলো- কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের রমজান আলীর ছেলে নুর মোহাম্মদ (১৫), হাফেজ আহম্মদের ছেলে মো. ছাদেক (১৪), মোহাম্মদ আলীর ছেলে মো. আফছার (১৭), জাফর উল্যাহর ছেলে রমজান আলী (১৬), আবদুস শুক্কুরের ছেলে মো. ফারুক (১৫), আবুল হাসেমের ছেলে সৈয়দ কাসেম (২৫) ও সৈয়দ কাসেমের ছেলে মো. রিয়াজ (৭)।

এর আগে সকালে সোনাগাজী উপজেলার চরচান্দিয়া ইউনিয়নের সওদাগর হাট এলাকায় স্থানীয়রা আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
স্থানীয়রা জানায়, সোমবার সকালে চরচান্দিয়া ইউনিয়নের ধান গবেষণা এলাকায় শিশুসহ অপরিচিত ৮ জন কিশোর একসঙ্গে দিকভ্রান্ত হয়ে হাঁটছিলো। স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হলে তাঁরা তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে তাঁরা রোহিঙ্গা বলে স্বীকার করেন এবং নোয়াখালীর ভাসানচর থেকে ট্রলারে করে কুতুপালং যাচ্ছেন বলে জানান। পরে বিষয়টি সোনাগাজী মডেল থানায় জানানো হলে পুলিশের একটি টিম তাদের আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

আটককৃত রোহিঙ্গারা পুলিশকে জানায়, তারা মিয়ানমার থেকে আসা কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা। গত কয়েকদিন পূর্বে নানা-নানুর কাছে গোপনে বেড়াতে যেতে ক্যাম্প থেকে নদী পথে নোয়াখালীর ভাসান চরের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যায়।

বেড়ানো শেষে জনৈক রুহুল আমিন মাঝি ও কাসেম মাঝির সাথে যোগাযোগ করে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে নদী পথে ফের ট্রলার ভাড়া করেন তারা। মাঝি তাদের ভাসান চরে এনে তাদের সাথে থাকা মোবাইল ফোন ও নগদ প্রায় ১০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে ছোট ফেনী নদীর মুসাপুর তীরে রেখে ট্রলার নিয়ে পালিয়ে যায় মাঝি। পরে তারা নিরুপায় হয়ে নদী তীরবর্তী সওদাগর হাটে অবস্থান নেন।

সোনাগাজী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ খালেদ হোসেন দাইয়্যান আরও বলেন, জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সাথে কথা বলে আটককৃত রোহিঙ্গা কিশোরদের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রেরণ করা হয়।